আজকের আলোচনার বিষয় ইতিহাস, সমাজ ও সংস্কৃতি – যা আদিবাসী জনগোষ্ঠীদের পরিচিতি এর অর্ন্তভুক্ত, বাংলাদেশের লিখিত ইতিহাসে এদেশের আদিবাসীদের প্রসঙ্গ তেমন একটা জায়গা পায়নি, যেটুকু পেয়েছে তাও অনেক ক্ষেত্রে ভ্রান্ত বা অস্পষ্ট ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত। সামন্ত ও ঔপনিবেশিক শাসন- শোষণের বিরুদ্ধে এ অঞ্চলের আদিবাসীদের প্রতিরোধ ও সংগ্রামের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেও ব্যাপক সংখ্যক আদিবাসী সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। কিন্তু এদেশের ইতিহাসকে যখন বাঙালীর হাজার বছরের ইতিহাসের আলোকে দেখা হয়, তখন সেখানে আদিবাসীরা আড়ালে চলে যায়।
একইভাবে বাংলা ভাষা, বাঙালী সংস্কৃতি বা বাঙালী জনসমষ্টির অভ্যুদয়ের ক্ষেত্রে বর্তমান আদিবাসী জনগোষ্ঠীসমূহের পূর্বসূরীদের কি অবদান ছিল, সে প্রসঙ্গ তেমন আলোচিত হয় না। সাধারণভাবে বলা যায়, গড়পড়তা শিক্ষিত বাঙালীদের দৃষ্টিকোণ থেকে আদিবাসীদের যে ভিন্নতাগুলো নজর কাড়ে – চেহারার পার্থক্য থেকে শুরু করে খাদ্যাভ্যাস ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য – সেগুলোর উল্লেখ পাঠ্যপুস্তকসহ বিভিন্ন বইপত্রে পাওয়া যায়, কিন্তু বৃহত্তর – ঐতিহাসিক প্রেক্ষিতে বাঙালী ও আদিবাসীদের মধ্যেকার গভীরতর সম্পর্ক ও যোগসূত্রসমূহ দৃষ্টির আড়ালে থেকে যায়।

ইতিহাস, সমাজ ও সংস্কৃতি
উদাহরণ হিসাবে এখানে ভাষার প্রসঙ্গ আলোচনা করা যেতে পারে। বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটা আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষাই বাংলা থেকে যথেষ্ট স্বতন্ত্র বলে বিবেচিত। শব্দভান্ডারের তুলনামূলক অধ্যয়নের | ভিত্তিতে একই উৎস থেকে উদ্ভূত বলে বিবেচিত ভাষাসমূহকে একই ‘ভাষা পরিবার’-এর অন্তর্ভূক্ত | হিসাবে গণ্য করা হয়। সে হিসাবে বাংলাদেশের আদিবাসীদের ভাষাসমূহকে চারটি ভাষাপরিবারে শ্রেণীভুক্ত করা যায়, সেগুলো হল: ইন্দো-ইউরোপীয় বা ‘আর্য’, দ্রাবিড়, অস্ট্রো-এশিয়াটিক ও তিব্বতী- | বর্মী। ১) আর্য: বাংলাসহ অহমিয়া, ওড়িয়া, হিন্দী প্রভৃতি ভাষাকে ইন্দো-ইউরোপীয় নামে পরিচিত ভাষা পরিবারের অন্তর্গত হিসাবে গণ্য করা হয়, যা ‘আর্য” নামেও পরিচিত।
বাংলাদেশের আদিবাসীদের মধ্যে চাকমা, হাজং প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর ভাষাসমূহকে ‘আর্য’ পরিবারের অন্তর্গত বলে বিবেচনা করা যেতে পারে। ২) দ্রাবিড়: তামিল, মালয়ালম, তেলুগু প্রভৃতি দক্ষিণ ভারতীয় ভাষাকে ‘দ্রাবিড়’ পরিবার-ভুক্ত হিসাবে গণ্য করা হয়। বাংলাদেশে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীদের মধ্যে ওরাঁও ও পাহাড়িয়াদের ভাষাসমূহ এই পরিবারের অন্তর্গত। উল্লেখ্য যে, ওরাও ও পাহাড়িয়ারা বাংলাদেশের ভূখন্ডে অভিবাসিত হয়েছিল ব্রিটিশ শাসনামলে, তার আগে এ অঞ্চলে দ্রাবিড়-ভাষী কোন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাসের প্রমাণ পাওয়া যায় না। ৩) অস্ট্রো-এশিয়াটিক: এই ভাষা পরিবারের দুইটি প্রধান শাখা হল ‘মুন্ডা’ ও ‘মন-খমের’।
মুন্ডা শাখায় মুন্ডাদের ভাষা মুন্ডারি ছাড়াও সাঁওতাল, মাহালী, হো প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর ভাষা অন্তর্গত। এ উপমহাদেশে ‘মন-খমের’ শাখার একমাত্র প্রতিনিধি হচ্ছে খাসিয়া ভাষা, যে শাখার আওতায় বার্মার মন ও কম্বোডিয়ার ‘মের’ ভাষা অন্তর্গত। ৪) তিব্বতী-বর্মী: তিব্বতী ও বর্মী ভাষাসহ নেপাল, ভূটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যসমূহে প্রচলিত অধিকাংশ ভাষা এই পরিবারের অন্তর্গত। বাংলাদেশে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামের বাকী সকল আদিবাসী জনগোষ্ঠীসহ গারো, রাখাইন, মণিপুরী (মেইতেই) প্রভৃতি জনগোষ্ঠীর ভাষা এই পরিবারের অন্তর্গত।
‘আর্য’, ‘দ্রাবিড়’ প্রভৃতি শব্দকে নরবর্ণ ভিত্তিক বর্গ (racial category) হিসাবে দেখার প্রবণতা এককালে বেশ ব্যাপক ছিল। সে অনুযায়ী দ্রাবিড়, আর্য, অস্ট্রিক, মঙ্গোলীয় প্রভৃতি নৃগোষ্ঠীর সংমিশ্রণে বাঙালী জাতির উদ্ভব ঘটেছে, এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ধারণা এখনো বেশ প্রচলিত। প্রকৃতপক্ষে, বাংলার প্রাচীন অধিবাসীদের মধ্যে দ্রাবিড় ভাষী কোন জনগোষ্ঠী ছিল, এমন কোন প্রমাণ নেই। বাংলা ভাষায় দ্রাবিড় প্রভাব কিছু থাকলেও তা সংস্কৃত ভাষায় আত্মীকৃত দ্রাবিড় উপাদানের মাধ্যমেই এসেছে বলে ধারণা করা হয়। অন্যদিকে বাংলা অঞ্চলের প্রাচীন অধিবাসীদের ভাষাসমূহ ছিল মূলতঃ মুন্ডা-গোত্রীয় অস্ট্রো-এশিয়াটিক বর্গের, এ ব্যাপারে ভাষাবিজ্ঞানীরা মোটামুটি নিশ্চিত। বাংলা ভাষায় যেসব ‘দেশী” বা ‘অনার্য’ উপাদান রয়েছে, তার অধিকাংশ অস্ট্রো-এশিয়াটিক উৎসজাত বলে বিবেচিত। বাংলা ভাষায় লাঙল, কুড়ি, আন্ডা, পাড়া প্রভৃতি অজস্র ‘দেশী’ শব্দ রয়েছে যেগুলি মুন্ডা-গোত্রীয় ভাষা থেকে উদ্ভূত। এছাড়া বাংলা ভাষার ধ্বনিতাত্ত্বিক ও ব্যাকরণগত অনেক বৈশিষ্ট্যও অস্ট্রো-এশিয়াটিক উৎস থেকে এসেছে। এসব পর্যবেক্ষণ থেকে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া যায় যে বাংলার প্রাচীন অধিবাসীদের মুন্ডা- গোত্রীয় ভাষার উপর ‘আর্য’ শব্দভান্ডার ও অন্যান্য উপাদান যুক্ত হয়ে বাংলা ভাষার উৎপত্তি ঘটেছে। একইভাবে বাংলা ভাষার বিভিন্ন আঞ্চলিক সংস্করণে তিব্বতী-বর্মী প্রভাব (বিশেষ করে এই পরিবারের বোড়ো-গারো শাখার প্রভাব, যে শাখার আওতায় কোচ, গারো, ত্রিপুরা প্রভৃতি ভাষা অন্তর্ভুক্ত) লক্ষ্যণীয়। এদিক থেকে বিবেচনা করলে বাংলা ভাষার সাথে বাংলাদেশে বর্তমানে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীদের ভাষাসমূহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে, যা আড়াল হয়ে যায় যখন আমরা বাংলাকে ‘আর্য’ এবং বেশীর ভাগ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষাকে ‘অনার্য’ অস্ট্রো-এশিয়াটিক বা তিব্বতী-বর্মী ‘পরিবার ভূক্ত হিসাবে দেখি।
ভাষার ক্ষেত্রে যেমন, তেমনি গ্রামীণ লোকজ সংস্কৃতির অনেক উপাদান ও বৈশিষ্ট্য তলিয়ে দেখলে দেখা যাবে বাঙালী ও আদিবাসীরা অনেক ক্ষেত্রেই একই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উত্তরাধিকারী। কিন্তু বাঙালী সমাজ ও সংস্কৃতির ঐতিহাসিক বিকাশের ক্ষেত্রে দীর্ঘকাল ধরে ‘আদিবাসী’ উপাদানসমূহকে অবজ্ঞা ও উপেক্ষা করা হয়েছে। যেসব জনগোষ্ঠী বাঙালী হিন্দু বা মুসলমান সমাজে পুরোপুরি অঙ্গীভূত হয় নি বলে মনে করা হত, ব্রিটিশ শাসনামলে তারাই ‘উপজাতীয়’ হিসাবে আখ্যায়িত হয়েছিল। ব্রিটিশদের চোখে এই উপজাতীয়রা ছিল আদিম সংস্কৃতির ধারক-বাহক, যে দৃষ্টিভঙ্গী পরবর্তীকালে শিক্ষিত বাঙালীরাও অনেকাংশেই অনুসরণ করেছে।

উচ্চবর্ণের বাঙালী হিন্দুরা যেমন অনেকেই কল্পিত আর্য অতীতে নিজেদের শেকড় খুঁজেছে, তেমনি বাঙালী মুসলমানদের উঠতি শ্রেণীগুলোও শেখ, সৈয়দ, মুগল বা পাঠান হিসাবে দেশীয় গন্ডীর বাইরে তাদের আত্মপরিচয়ের উৎস নির্ধারণ করেছে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানে পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছিল মুসলিম জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে। যেহেতু এদেশের আদিবাসীরা প্রায় সবাই ছিল অমুসলমান, পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে তাদের অবস্থান ছিল একেবারে প্রান্তিক।
পরবর্তীতে বাঙালী জাতীয়তাবাদের উন্মেষের ফলে দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে নূতন আলোয় দেখার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে বটে, কিন্তু সেক্ষেত্রেও জাতীয়তার পরিধি নির্ধারিত হয়েছে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিকভাবে আদিবাসীদের প্রান্তিক অবস্থানে রেখেই। সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রান্তিকতার পাশাপাশি এদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীরা অর্থনৈতিকভাবেও প্রান্তিকীকরণের শিকার হয়েছে। ঐতিহ্যগতভাবে আদিবাসীরা ছিল ভূমির উপর নির্ভরশীল।
পাহাড়ি ও গড় এলাকার আদিবাসীরা মূলতঃ জুমচাষের উপর নির্ভরশীল ছিল, কিন্তু ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই এসব এলাকায় আদিবাসীদের প্রথাগত ভূমি অধিকার হরণের প্রক্রিয়া সূচিত হয়েছিল, যা পরবর্তীকালে আরো ত্বরান্বিত হয়েছে। এছাড়া আদিবাসী-অধ্যুষিত এলাকাগুলোয় অতীতে বাঙালী কৃষক জনগোষ্ঠীর উপস্থিতি তেমন ছিল না, কিন্তু পাকিস্তান আমল থেকে দ্রুত অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে থাকে, ফলে যেসব এলাকায় আদিবাসীরা জুমচাষ ছেড়ে লাঙল ধরতে শুরু করেছিল, সাধারণভাবে তারা ক্রমবর্ধমান বাঙালী কৃষক জনগোষ্ঠীর চাপ মোকাবেলা করতে পারে নি।
ক্রমসম্প্রসারমান বাজার- ব্যবস্থায়ও আদিবাসীদের সম্পৃক্ততা ছিল প্রান্তিক ভূমিকায়, কারণ এর নিয়ন্ত্রণ ছিল মূলতঃ বাঙালী ব্যবসায়ী শ্রেণীর হাতে। ফলে আদিবাসীদের একটা বড় অংশ জমি-জমার উপর তাদের প্রথাগত অধিকার হারিয়ে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের মত নূতন পেশায় আসতে না পেরে নিঃস্ব থেকে নিঃস্বতর হয়েছে।
অবশ্য আদিবাসীদের মধ্যে একটা শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীরও আবির্ভাব ঘটেছে, তবে এই শ্রেণীর বিকাশ সকল আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে সমান হারে ঘটে নি। যেমন পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক দশকগুলোতে চাকমাদের মধ্যে সাক্ষরতার হার এবং শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, অন্যদিকে তাদের মধ্যে জুমচাষের উপর নির্ভরশীলতা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। পক্ষান্তরে ম্রো জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মানুষের সংখ্যা এখনো হাতে গোণা রয়ে গেছে, এবং তাদের অধিকাংশই এখনো জুমচাষের উপর নির্ভরশীল।
কাজেই এটা অপ্রত্যাশিত নয় যে, স্বায়ত্বশাসনের দাবীতে পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন যাবত যে সশস্ত্র আন্দোলন পরিচালিত হয়েছে, তাতে নেতৃত্ব দিয়েছিল মূলতঃ পাহাড়িদের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরাই। ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বর ২ তারিখে সম্পাদিত ‘শান্তি চুক্তি’র আওতায় পার্বত্য চট্টগ্রামে যে আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়েছে, তাতে এই এলাকার আদিবাসীদের হারানো অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ব্যাপারে কিছুটা আশাবাদ সঞ্চারিত হয়েছে, তবে এই চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলেও সকল শ্রেণী ও গোষ্ঠীর পাহাড়িরা সমভাবে উপকৃত হবে কি না, তা দেখার বিষয়।
তাছাড়া “শান্তি চুক্তি’র আওতায় আঞ্চলিক পরিষদ গঠনকে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে একটি পদক্ষেপ হিসাবে গণ্য করা হলেও দেশের অন্যত্র যেসব আদিবাসী জনগোষ্ঠী রয়েছে, তাদের জন্য অনুরূপ কোন ব্যবস্থা গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত এদেশের আদিবাসীদের একটা বড় অংশ নিজেদের বঞ্চিত মনে করতে থাকবে। সবচেয়ে বড় কথা, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের আদিবাসী জাতিসত্তাসমূহের অস্তিত্ব সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত নয়। আদিবাসী নেতৃবৃন্দসহ অনেক বাঙালী বুদ্ধিজীবীও মনে করেন যে, সাংবিধানিক সুরক্ষা ছাড়া দেশের বিভিন্ন আদিবাসী জাতিসত্তার স্বতন্ত্র পরিচয় অক্ষুন্ন রেখে তাদেরকে জাতীয় মূলধারায় সম্পৃক্ত করা যাবে না।

উপরের আলোচনায় আমরা দেখেছি যে, এদেশের আদিবাসীদের সাথে বাঙালী জনগোষ্ঠীর গভীর ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে, যা ব্যাপকভাবে স্বীকৃত নয়। এদিক থেকে দেখলে রাষ্ট্রীয়ভাবে আদিবাসীদের পূর্ণ মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি শুধুমাত্র আদিবাসীদের স্বার্থের বিষয় নয়, বরং বাংলাদেশের সকল মানুষের জন্য গ্রহণযোগ্য এবং ঐতিহাসিকভাবে যথার্থ একটি জাতীয় পরিচয় নির্মাণের পথেও তা হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
আরও দেখুনঃ
